04:00am  Saturday, 31 Oct 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  আজ ৩১ অক্টোবর; আজকের দিনে জন্ম-মৃত্যুসহ যত ঘটনা     »  ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ)এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বিরামপুরে বিক্ষোভ     »  হেঁটে হেঁটে অন্যস্থানে চলে গেল বিশালাকার পাঁচতলা ভবন     »  বিশ্ববাসীর কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে ইসলাম ধর্মের শান্তির বাণী      »  মুসলমানদেরও ফরাসিদের শাস্তি দেওয়ার ‍অধিকার আছে      »  বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলাই ওবায়দুল কাদেরের প্রতি দিনের কাজ     »  মুজিববর্ষে পুলিশ সদস্যরা জনতার পুলিশে পরিণত হবে     »  পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির     »  মৃত্যরে আগে নিহত নারী; আমার সন্তানদের বলো আমি তাদের ভালোবাসি     »  ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণের নতুন রেকর্ড করল যুক্তরাষ্ট্রে    



দিনাজপুরে লড়াকু মুরগির গবেষণা খামারে ব্যাপক সাফল্য



বিশেষ প্রতিবেদক, দিনাজপুর থেকেঃ ফাইটার আছিল মুরগির গবেষণা খামার করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ। ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদ প্রাণিজ আমিষের উৎস এবং গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য মোরগ লড়াই’কে টিকিয়ে রাখতে পালন করছে আছিল মুরগি। দুর্লভ প্রজাতির আছিল মোরগের পাশাপাশি বন মোরগেরও বংশ বিস্তারেও কাজ করছেন তারা। এই আছিল মুরগির খামার এবং লড়াই দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছে অনেকেই। আছিল মুরগির খামার গড়তে অনেকে হয়ে উঠেছে আগ্রহী।

চারপাশে অসংখ্য মানুষের তৈরি বৃত্তে প্রাণপণ লড়ে যাচ্ছে দু’টি মোরগ। মোরগের লড়াই দেখতে আশপাশের গ্রাম থেকে ছুঁটে আসে মানুষ। এ খেলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। গ্রাম-বাংলার বিভিন্ন উৎসবে ও অন্যান্য মূহুর্তে শিশু কিশোরদের জন্য এই মোরগ লড়াই ছিল এক জমপেশ খেলার নাম। গ্রামবাংলার সচরাচর এই চিত্র সময়ের বিবর্তনে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। মোগল আমল থেকেই বাংলাদেশসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মোরগ লড়াই ছিল খুবই প্রসিদ্ধ খেলা। সাধারণ আদিবাসী ও কৃষিভিত্তিক সমাজে এ খেলাটি খুবই আকর্ষণীয় এবং ঐতিহ্যবাহী খেলা হিসেবেই বিবেচিত ছিল। ঐতিহ্যবাহী খেলা হিসেবে মোরগ লড়াইয়ের সুখ্যাতি থাকলেও লড়াইয়ের মোরগ এবং খেলার ঐতিহ্য- দুই-ই হারিয়ে যেতে বসেছে।তাই,দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষ এই আছিল মুরগির গবেষণা খামার করেছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের অভিটোরিয়াম-২ এর পাশে গড়ে তোলা হয়েছে এই খামার।এই খামার বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জনপ্রিয় ও দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ছাড়াও বাইরে থেকে অনেক দর্শনার্থী আসছেন আছিল মুরগি দেখতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের জেনেটিক্স অ্যান্ড এনিমেল ব্রিডিং বিভাগের তত্ত¡াবধানে আছিল মুরগি গবেষণা চলছে। একজন প্রাণিসস্পদ কর্মকর্তা এনিয়ে পিএইচডি করছেন। পিএইচডিরত মো.আহসান হাবিব প্রামাণিক জানালেন,লম্বা পা, ইগলের মতো চোখ, কম পালকের দুর্লভ প্রজাতির আছির মোরগ লড়াইয়ের জন্য সেরা। মোরগের নিজস্ব ফ্লাইং কিকের স্টাইলগুলোকে মানুষ বিভিন্ন নামে চিত্রিত করে। আসিল মোরগ দেখতে হিং¯্র হলেও এরা মারাত্মক প্রভুভক্ত। মালিকের আদর বোঝে, দেখলে ডাকতে থাকে, সামনে দিয়ে ঘুরাঘুরি করে। আদর করে এদের নামও রাখা হয়। প্রভুভক্ত এই মোরগগুলো মালিকের সম্মান রাখার জন্য খেলার মাঠে নিজের জীবন দিয়ে দেবে, কিন্তু হার মানতে নারাজ এই মোরগগুলো।অসম্ভব তেজি ও যোদ্ধা-প্রকৃতির মোরগ, দারুণ উড়তে পারে এরা। এদের পেছনের আঙুলটি এক ইঞ্চির বেশি লম্বা, দেখতে সূচালো পেরেকের মতো।

আছিলের পাশাপশি দূর্লোভ বন মোরগেও গবেষণা খামার গড়েছেন তারা।বাণিজ্যিকভাবে আছিল ও বন মোরগের খামার আমাদের দেশে লাভজনক। এদু’টি বাংলাদেশের ঐতিহ্যেও ধারক পাখি প্রজাতি মুরগি। সবচেয়ে সুবিধা হলো এ জাত দু’টি মোরগ পালনে তেমন ঝামেলা নেই, কারণ এরা নিজেরা চরে চরে খায়,অনেক বড় হয়।এ মোরগ প্রাকৃতিক পরিবেশে দ্রæত বর্ধনশীল।

আছিলের পাশাপশি দূর্লোভ বন মোরগেও গবেষণা খামার গড়েছেন তারা।বাণিজ্যিকভাবে আছিল ও বন মোরগের খামার আমাদের দেশে লাভজনক। এদু’টি বাংলাদেশের ঐতিহ্যেও ধারক পাখি প্রজাতি মুরগি। সবচেয়ে সুবিধা হলো এ জাত দু’টি মোরগ পালনে তেমন ঝামেলা নেই, কারণ এরা নিজেরা চরে চরে খায়,অনেক বড় হয়।এ মোরগ প্রাকৃতিক পরিবেশে দ্রæত বর্ধনশীল। এমনটাই জানালেন,বন মোরগ নিয়ে পিএইডিরত বিশ^বিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক ড.মো.কামরুজ্জামান মিথু।

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক্স এন্ড এনিম্যাল ব্রিডিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.এম.এ. গাফফার,চেয়ারম্যান জানালেন, বাণিজ্যিকভাবে আছিল মুরগি আর বন মোরগেরখামার আমাদের দেশে লাভজনক। এদু’টো জাত বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহি একটি প্রজাতি। সবচেয়ে সুবিধা হলো এ জাতের মোরগ পালনে তেমন ঝামেলা নেই, কারণ এরা নিজেরা চরে চরে খায়,অনেক বড় হয়।এ মোরগ প্রাকৃতিক পরিবেশে দ্রæত বর্ধনশীল।

লড়াকু এই আছিল মুরগি ও বন মোরগেরখামার করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের এই সাফল্য এখন অনেকের অনৃপ্রেরণা। বাংলাদেশে এই আছিল মুরগি ও বন মোরগের খামারের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে,এমনটাই স্বাক্ষ্য দিচ্ছে এই খামারটি।সহযোগিতা ও পৃষ্টপোষকতা অব্যাহত থাকলে এই লড়াকু আছিল মুরগি ও বন মোরগের খামার গড়ার প্রতিযোগিতা আরো বাড়বে এমনটাই মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর থেকে।

জয়পুরহাটে ৩৫ মাদকসেবী ও জুয়াড়ি আটক


এই নিউজ মোট   57    বার পড়া হয়েছে


কৃষি



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.